আজকের তারিখঃ | বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ট্রাম্পের আলটিমেটাম ঘিরে উত্তেজনা, কূটনীতি ও সামরিক প্রস্তুতিতে ইরান ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক ব্যবস্থাপনায় কঠিন পরীক্ষায় তারেক রহমান ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে মসজিদে আগুন, পুড়েছে কোরআন ও আসবাবপত্র আফগানিস্তানে স্ত্রী প্রহার আইন: ‘হাড় না ভাঙা’ বিতর্কের বাস্তবতা বিশ্লেষণ ট্রাম্পের চিঠি: বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা চুক্তির আহ্বান তারেককে রাষ্ট্র ধর্মনিরপেক্ষ না হলে কীভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে, প্রশ্ন আনু মুহাম্মদের মুক্তমত প্রকাশ–সংক্রান্ত ও গায়েবি মামলা ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রত্যাহারের আশা আইন উপদেষ্টার প্রধান উপদেষ্টাকে মার্চে বেইজিং সফরে নিতে আগ্রহী চীন অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ বিশ্বকাপ নিয়ে রিভালদোর সঙ্গে তর্কে জড়ালেন নেইমার ৪৮ রানে ৭ উইকেট হারাল পাকিস্তান, ওয়ারিকানের স্পিন–ঘূর্ণি রান নেই–উইকেট নেই, তবু ম্যাচসেরা এটা স্কুল নয়, শাস্তিও নয়—বললেন ভারতের প্রধান নির্বাচক আমি চুয়েটের শিক্ষার্থী, তাই আবেগ ও দায়বদ্ধতাও বেশি : চুয়েটের উপাচার্য এআইইউবিতে চাকরি মেলা অনুষ্ঠিত বদলে যাওয়া ক্যাম্পাস বৃহত্তর খুলনার প্রথম উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি ব্রজলাল কলেজ কোনো সভ্য দেশে কূটনৈতিক স্থাপনায় এ ধরনের হামলা হতে পারে না ভারতের সঙ্গে কথা হবে চোখে চোখ রেখে বাড়ির দোতলায়ও পানি, ভাই–বোনের খোঁজ পাচ্ছেন না গায়িকা পুতুল
ad728

ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক ব্যবস্থাপনায় কঠিন পরীক্ষায় তারেক রহমান

রিপোর্টারের নাম: ইজতিহাদ ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশের তারিখ : Feb 23, 2026 ইং
  • ৭৮১ বার
ছবির ক্যাপশন: নতুন সরকারে ভারত-পাকিস্তান কূটনীতিতে চ্যালেঞ্জ

ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের চ্যালেঞ্জে পড়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের দেড় বছর পর অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করেছে বিএনপি। নতুন সরকারের সামনে আঞ্চলিক কূটনীতিতে ভারসাম্য রক্ষাই এখন অন্যতম বড় ইস্যু হিসেবে উঠে এসেছে।

সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতার পর এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ২০২৪ সালে বিক্ষোভ দমনে সহিংসতার ঘটনায় প্রায় ১ হাজার ৪ শতাধিক মানুষের মৃত্যুর অভিযোগ ওঠে। ওই প্রেক্ষাপটে গণআন্দোলন জোরদার হয়ে ক্ষমতাচ্যুত হয় শেখ হাসিনার সরকার।

দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা শেখ হাসিনা দেশত্যাগ করে দিল্লিতে অবস্থান করছেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অনুপস্থিত অবস্থায় তার বিচার সম্পন্ন হয় এবং তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। তাকে ফেরত চেয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হলেও ভারতের সরকার তা প্রত্যাখ্যান করেছে। এতে দুই দেশের সম্পর্ক নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, শেখ হাসিনার শাসনামলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি স্পষ্টভাবে ভারতের দিকে ঝুঁকে ছিল। তার আমলে নয়াদিল্লিতে একাধিক দ্বিপাক্ষিক সফর হয় এবং নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করা হয়। বাংলাদেশে সক্রিয় ভারতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদী নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া এবং গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান বাড়ানোর মতো পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

তবে সমালোচকদের দাবি, তিস্তা পানি বণ্টন চুক্তি অমীমাংসিত রয়ে যায় এবং সীমান্তে হত্যাকাণ্ড বন্ধ হয়নি। পাশাপাশি জ্বালানি খাতে ভারতীয় বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীলতা বাড়ে। বড় অবকাঠামো ও বিদ্যুৎ প্রকল্পে স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।

অন্যদিকে শেখ হাসিনার বিদায়ের পর অন্তর্বর্তী সরকার পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেয়। ১৪ বছর পর করাচির সঙ্গে সরাসরি ফ্লাইট চালু হয়। ১৩ বছর পর পাকিস্তানি মন্ত্রীরা ঢাকা সফর করেন। সামরিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা পুনরায় শুরু হয় এবং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ২৭ শতাংশ বৃদ্ধি পায়।

সম্প্রতি এক সমাবেশে তারেক রহমান বলেন, ‘নট দিল্লি, নট পিণ্ডি—বাংলাদেশ সবার আগে।’ তার এই অবস্থানকে অনেকে ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতির ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন।

দিল্লিভিত্তিক প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক স্মৃতি পট্টনায়ক বিবিসিকে বলেন, পূর্ববর্তী সরকারের সময় ইসলামাবাদের সঙ্গে সম্পৃক্ততা প্রায় অনুপস্থিত ছিল। তার মতে, ভারতের দিকে অতিরিক্ত ঝুঁকে থাকার পর এখন বিপরীত দিকে বেশি ঝুঁকে পড়ার ঝুঁকিও রয়েছে।

বিশ্লেষকদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের সামনে এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো—ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠন করে আঞ্চলিক কূটনীতিতে একটি কার্যকর ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা করা।

ad728
কমেন্ট বক্স

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
ad300